সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ
কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল
জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের
হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ
প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ
গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি
কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি, ২০২২
প্রিন্স অ্যান্ড্রু, ভার্জিনিয়া রবার্টস (গিফ্রে) এবং ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল। ২০০১ সালে তোলা ছবি - বিবিসি
ভার্জিনিয়া জিফ্রে নামের ওই নারী অভিযোগ করেন ২০০১ সালে প্রিন্স অ্যান্ড্রু তাকে যৌন হয়রানি করেন। সেই অভিযোগে মামলা দায়েরের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি দেওয়ানী মামলার মুখোমুখি হন অ্যান্ড্রু।
যদিও বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মেজ ছেলে অ্যান্ড্রু। খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
এর আগে এই মামলার মুখোমুখি হওয়ায় সামরিক খেতাব ও রাজকীয় উপাধি হারিয়েছেন অ্যান্ড্রু। এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রিন্স অ্যান্ড্রু তার খেতাব ও উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না।
আরও পড়ুন : মাছের জীবন রক্ষায় অভিনব পদ্ধতি
প্রিন্স অ্যান্ড্রুর ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাজকীয় ও সামরিক খেতাব হারালেও ভার্জিনিয়া জিফ্রের করা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন অব্যাহত রাখবেন তিনি। অবশ্য চলমান আইনি বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করার ঘোষণা দিয়েছে বাকিংহাম প্যালেস।
মামলার বাদী জিফ্রে বলেন, এই মামলা চালিয়ে যাওয়ার আদালতের রায়ে তিনি ‘সন্তুষ্ট’। কারণ অ্যান্ড্রু মামলাটি খারিজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন এবং যাবেন। এই মামলা চালানোর সুযোগ পেয়ে জিফ্রে আরও বলেন, এবার তিনি সত্য উদঘাটনের সুযোগ পাবেন।
মামলার অভিযোগে জিফ্রে আরও বলেন, তিনি আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের মাধ্যমে ১৭ বছর বয়সে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের জন্য পাচার হয়েছিলেন।